১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রচ্ছদআনক্যাটাগরিকর্ণফুলী সাংস্কৃতিক উৎসব

কর্ণফুলী সাংস্কৃতিক উৎসব

শামশুল আলম সোহেল

শিল্প সংস্কৃতির প্রায় সবগুলো মাধ্যমকে একত্রিত করে শতাধিক সংগঠনের সহস্রাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ছয়দিনব্যাপী কর্ণফুলী সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩ শেষ হলো গত ১৫ মার্চ।
গত ১০ মার্চ শিল্পকলা মুক্তমঞ্চে উৎসবের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আজম নাছির উদ্দীন। কর্ণফুলী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সাইফুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি একিউএম সিরাজুল ইসলাম এবং চসিক প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মোসলেম উদ্দিন শিকদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন পর্ষদের সদস্য নাট্যজন কাজল সেন।
আবৃত্তিশিল্পী এএসএম এরফানের উপস্থাপনায় প্রথম দিনের আয়োজনে মুক্তমঞ্চে দলীয় সংগীত পরিবেশন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম ও স্বরলিপি সাংস্কৃতিক ফোরাম। বৃন্দ আবৃত্তি করে বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম। দলীয় নৃত্যে ছিল প্রপন একাডেমি, সৃষ্টি কালচারাল ইনিস্টিটিউট ও ঘুঙ্গুর নৃত্যকলা একাডেমি। একক সংগীত পরিবেশন করেন সুজিত রায়, মোস্তফা কামাল, আব্দুর রহিম, আলাউদ্দিন তাহের, অর্প বর্মন ও সুবর্ণা রহমান। একক আবৃত্তি করেন মিলি চৌধুরী, কংকন দাশ ও বনকুসুম বড়ুয়া।
আবৃত্তিশিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো সংগীতভবনের গীতিআলেখ্য, কালপুরুষ নাট্যসম্প্রদায়ের নাটক রাক্ষুসী এবং স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ডান্সের নৃত্যালেখ্য। মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় তানভীর আহমেদ সিডনীর রচনায় ও মোসলেম উদ্দিন শিকদারের নির্দেশনায় উত্তরাধিকার প্রযোজিত নাটক ‘মৃত্যুপাখি’। আর্ট গ্যালারী ভবনের দ্বিতীয় তলায় শুরু হয়েছে দেশের নন্দিত চারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে চারুকলা প্রদর্শনী ও তৃতীয় তলায়  চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফি সোসাইটির সহযোগিতায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং শিল্পকলা প্রঙ্গনজুড়ে বইমেলায় অংশ নিচ্ছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, কালধারা, বলাকা, শৈলী, খড়িমাটি ও তৃতীয় চোখ।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন
১১ মার্চ   ছিলো উৎসবের দ্বিতীয় দিন। দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে বিকেল ৪টা থেকে মুক্তমঞ্চে আবৃত্তিশিল্পী জাভেদ হোসেনের উপস্থাপনায় দলীয় সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ। বৃন্দ আবৃত্তি করে মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদ এবং প্রমিতি সাংস্কৃতিক একাডেমি। দলীয় নৃত্যে ছিল নিক্কন একাডেমি, নৃত্যাঞ্চল এবং এইম ডান্স একাডেমি। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী তাপস চৌধুরী, হুমায়ূন চৌধুরী, অনুপম দেবনাথ পাভেল, আইরিন সাহা, হাসান জাহাঙ্গীর, জাহেদ হোসেন এবং লাকী দাশ। একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী আয়েশা হক শিমু এবং মশরুর হোসেন।
আবৃত্তিশিল্পী ফাইরুজ নাওয়াল দুর্দানার সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো কথক থিয়েটার ও থিয়েটার ওয়ার্কশপ চট্টগ্রামের নাট্যাংশের অভিনয় এবং উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্চের শ্রæতিনাটক। মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় উইলিয়াম শেক্সপীয়রের রচনা ও অধ্যাপক ম সাইফুল আলমের নির্দেশনায় এবং অসীম দাশের নির্দেশনায় গনায়ন নাট্যসম্প্রদায় প্রযোজিত নাটক ‘জুলিয়াস সিজার’।

উৎসবের তৃতীয় দিন

১২ মার্চ   ছিলো উৎসবের তৃতীয় দিন। তৃতীয় দিনের আয়োজনে বিকেল ৪টা থেকে মুক্তমঞ্চে আবৃত্তিশিল্পী শ্রাবণী দাশগুপ্তার উপস্থাপনায় দলীয় সংগীত পরিবেশন করে রবীন দে সংগীত বিদ্যালয়। বৃন্দ আবৃত্তি করে শব্দনোঙর আবৃত্তি সংগঠন এবং একুশ মানবিকতা ও আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র। দলীয় নৃত্যে ছিল চারুতা নৃত্যকলা একাডেমি এবং কালারস একাডেমি। মূকাভিনয় পরিবেশন করে ভিশন প্যান্টোমাইম। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী কল্যানী ঘোষ, সঞ্জিত আচার্য, শাহারিয়া পারভীন রোজি, মানস পাল,  কোহেলী মজুমদার, জুয়েল পাল, আল তুষি, ইন্তেখাব আলম মান্না। একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরী, মাশকুর এ সাত্তার কল্লোল, নাজমুল আহসান এবং প্রণব চৌধুরী।

আবৃত্তিশিল্পী শামীমা ইয়াসমিন সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো অভ্যুদয় সঙ্গীত অঙ্গনের গীতিআলেখ্য, কথক নাট্য সম্প্রদায়ের নাট্যাংক অভিনয় এবং ওড়িষি এন্ড ট্যাগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টারের পরিবেশনায় নৃত্যালেখ্য । মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় স্বদেশ দীপকের রচনা অলক ঘোষ পিন্টুর নির্দেশনায় নান্দীকার প্রযোজিত নাটক ‘কোর্ট মার্শাল’’।

উৎসবের চতুর্থ দিন

১৩ মার্চ  ছিলো উৎসবের চতুর্থ দিন। চতুর্থ দিনের আয়োজনে বিকেল  থেকে মুক্তমঞ্চে আবৃত্তিশিল্পী নাজমা আক্তারের উপস্থাপনায় দলীয় সংগীত পরিবেশন করে নজরুল সংগীত শিল্পী সংস্থা। বৃন্দ আবৃত্তি করে স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠন। দলীয় নৃত্যে ছিল সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমি, নৃত্যময়ী একাডেমি এবং দীপশিখা নৃত্যগোষ্ঠী। একক সংগীত পরিবেশন করেন জয়ন্তী লালা, দীপেন চৌধুরী, শ্রেয়সী রায়, গিরীজা রাজবর, মোহাম্মদ হোসেন, ফজলুর রহমান, কামরুল আজম টিপু ও সাইফুদ্দিন মাহমুদ খান। একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী মাশকুর এ সাত্তার কল্লোল, নাজমুল আহসান, দিলরুবা খানম ও অনির্বাণ চৌধুরী।

আবৃত্তিশিল্পী শারমিন মুস্তারী নাজুর সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের প্রযোজনা “সমীপে মা”। সৃজামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিবেশনায় শ্রুতিনাটক। ছিলো নান্দীমুখ এবং লোক থিয়েটারের নাট্যাংশ অভিনয়। মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় সুমন টিংকুর রচনা ও মোসলেম উদ্দিন শিকদারের নির্দেশনায় আভ্যাগার্ড  প্রযোজিত নাটক ‘নবান্ন ফিরে আস’।

উৎসবের পঞ্চম দিন

১৪ মার্চ  ছিলো উৎসবের পঞ্চম দিন। পঞ্চম দিনের আয়োজনে বিকেল ৪.৩০টা থেকে মুক্তমঞ্চে আবৃত্তিশিল্পী উমে সিং মারমার উপস্থাপনায় দলীয় সংগীত পরিবেশন করে সংগীততীর্থ ও প্রত্যয় শিক্ষা সাংস্কৃতিক একাডেমি। বৃন্দ আবৃত্তি করে স্বপ্নযাত্রী। দলীয় নৃত্যে ছিল নৃত্য নিকেতন এবং চট্টলকুড়ি। একক সংগীত পরিবেশন করেন অনামিকা তালুকদার, শাকিলা জাহান, তাপস বড়ুয়া, কান্তা দে, ইকবাল হায়দার, ফরিদ বঙ্গভাষী, কেশব জিপসী ও শহীদ ফারুকী। একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী শাওন পান্থ ও রেখা নাজনীন। “কর্ণফুলীর তীরেই মেলে ভালোবাসা-প্রেম” শিরোনামে প্রীতি বিতর্ক পরিবেশন করে দৃষ্টি চট্টগ্রাম।

আবৃত্তিশিল্পী আশিক আরিফিনের সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো দেশের নন্দিত কবিদের অংশগ্রহণে কবিতাপাঠ৷ এতে সভাপতিত্ব করেন কবি ফাউজুল কবির। উদ্বোধন করেন কবি খুশিদ আনোয়ার। কবিতাপাঠে অংশ নেন অংশ নেন কবি  সাথী দাশ, আনন্দ মোহন রক্ষিত, অভীক ওসমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী,  ওমর কায়সার, আকতার হোসাইন, শুক্লা ইফতেখার,  রিজোয়ান মাহমুদ, আবু মুসা চৌধুরী, হাফিজ রশিদ খান, হোসাইন কবির, খালেদ হামিদী, সেলিনা শেলী

কামরুল হাসান বাদল, বিজন মজুমদার, নাজিমুদ্দিন শ্যামল, দিলীপ কির্তুনীয়া, ভাগ্যধন বড়ুয়া,  সাঈদুল আরেফীন,  পুলক পাল, শাহীন মাহমুদ, মোহাম্মদ জোবায়ের, অনুপমা অপরাজিতা, তাপস চক্রবর্তী, রেহেনা মাহমুদ, আরণ্যক টিটু, মেরুণ হরিয়াল, মুয়িন পারভেজ, আলী প্রয়াস,  ফুয়াদ হাসান, স্বরুপ সুপান্থ, রিমঝিম আহমেদ, সৈকত দে, নাফিক আবদুল্লাহ,  আজিজ কাজল, বিটুল দেব, এবং বিবিকা দেব।

শিল্পকলার মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় অনীল সাহার রচনা ও সনজীব বড়ুয়ার নির্দেশনায় অঙ্গন থিয়েটার ইউনিট  প্রযোজিত নাটক ‘বদলি’।

উৎসবের শেষদিন

১৫ মার্চ ছিলো উৎসবের সমাপনী দিন। এদিন মুক্তমঞ্চে ছিলো উৎসব প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন এবং সমাপনী কথামালা। এ পর্বে কর্ণফুলী সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক  সাইফুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক রাশেদ রউফ এবং চট্টগ্রাম গ্রুপ থিয়েটার ফোরামের সভাপতি খালেদ হেলাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব উদযাপন পর্ষদের সদস্য সচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম। উৎসব প্রকাশনাটি সম্পাদনা করেন নাট্যজন কাজল সেন।

সমাপনী দিনে মুক্তমঞ্চের সংস্কৃতিক আয়োজনে আবৃত্তিশিল্পী শামীমা ইয়াসমিন মুন্নীর উপস্থাপনায় দলীয় সংগীত পরিবেশন করে সারগাম। । বৃন্দ আবৃত্তি করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চ এবং নরেণ আবৃত্তি একাডেমি। দলীয় নৃত্যে ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং সুরাঙ্গন। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী শান্তা গুহ, লুপর্ণা মুৎসুদ্দী, আলমগীর আলাউদ্দিন, কায়সার উল আলম, শীলা চৌধুরী, শামসুল হায়দাফ তুষার, লোকমান রাশু ও জামাল উদ্দিন । একক আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী নিশাত হাসিনা শিরিন, মোহাম্মদ সেলিম ভূইয়া এবং ঐশী পাল।

শিল্পকলার মূল মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় নাসরীন মুস্তাফার রচনা, কাজল সেনের সম্পাদনা ও আকবর রেজার নির্দেশনায় অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায় প্রযোজিত নাটক ‘কুটে কাহার’।

আবৃত্তিশিল্পী বর্ষা চৌধুরীর সঞ্চালনায় গ্যালারী হলে ছিলো দেশের নন্দিত ছড়াকারদের অংশগ্রহণে ছড়াপাঠ৷ এতে সভাপতিত্ব করেন শিশুসাহিত্যিক রাশেদ রউফ। উদ্বোধন করেন ছড়াকার দীপক বড়ুয়া। আলোচনা করেন শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল, আ ফ ম মোদাচ্ছের আলী, উৎপলকান্তি বড়ুয়া, এমরান চৌধুরী, জসীম মেহবুব, বিপুল বড়ুয়া, শুকলাল দাশ।  অনুষ্ঠানে ছড়াপাঠ করেন অপু চৌধুরী, অপু বড়ুয়া, অমিত বড়ুয়া, আইউব সৈয়দ, আখতারুল ইসলাম, আজিজ রাহমান, আনোয়ারুল হক নূরী, আবু তসলিম, আবু তালেব বেলাল, আবুল কালাম বেলাল, আমানউদ্দিন আবদুল্লাহ, আলেক্স আলীম, আহমেদ মনসুর, ইসমাইল জসীম, এয়াকুব সৈয়দ, ওবায়দুল সমীর, কল্যাণ বড়ুয়া, কাজী নাজরিন, কাঞ্চনা চক্রবর্তী, কানিজ ফাতিমা,  কাসেম আলী রানা, কেশব জিপসী, কোহিনুর আকতার, খালেছা খানম, গোফরান উদ্দীন টিটু, গৌতম কানুনগো, জসিম উদ্দিন খান, জেবুন্নেসা জেবু, জি এম জহির উদ্দীন, জুবাইর জসীম, টুম্পা ভট্টাচার্য, তরুণ কান্তি বড়ুয়া, তসলিম খাঁ, তালুকদার হালিম, নাটু বিকাশ বড়ুয়া, নান্টু কুমার দাশ, নান্টু বড়ুয়া, নিশাত হাসিনা শিরিন, নূরনাহার নিপা, প্রদীপ ভট্টাচার্য, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, পিংকু দাশ, প্রতিমা দাশ, ফারজানা রহমান শিমু, বনশ্রী বড়ুয়া, বাসুদেব খাস্তগীর, বিচিত্রা সেন, বিভা ইন্দু, বিলাস কান্তি দাস, বিশ্বজিৎ বড়ুয়া,  মাহবুবুল হাসান, মর্জিনা আখতার, মাহবুবা চৌধুরী, মাহবুবা ছন্দা, মিজানুর রহমান শামীম, মিতা পোদ্দার, মিলন বনিক, রফিক আহমদ খান, রাজন বড়ুয়া, রাসু বড়ুয়া, রুনা তাসমিনা, রাজীব রাহুল, লিটন কুমার চৌধুরী, লিপি বড়ুয়া, শর্মি বড়ুয়া, শওকত আলী সুজন, শামীম ফাতেমা মুন্নী, শিউলী নাথ, শিপ্রা দাশ, শিরিন আফরোজ, শেখ মঈনুল হক চৌধুরী জোসেফ, সনজিত দে, সাইফুদ্দিন সাকিব, সংযুক্তা চৌধুরী বড়ুয়া, সাইফুল্লাহ কায়সার, সালাম সৌরভ, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, সুসেন কান্তি দাশ, শেলীনা আকতার খানম, শৈবাল বড়ুয়া, সনজীব বড়ুয়া, সুমি দাশ, সিমলা চৌধুরী, সোমা মুৎসুদ্দী, সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, সৈয়দ জিয়াউদ্দিন,  সৈয়দা সেলিমা আক্তার, সৌভিক চৌধুরী,  সৌরভ শাখাওয়াত, হেলাল চৌধুরী,  হোসাইন মোস্তফা।

এছাড়া উৎসবের অংশ হিসেবে শিল্পকলা গ্যালারী ভবনের দ্বিতীয় তলায় চারুকলা প্রদর্শনী ও তৃতীয় তলায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় এবং শিল্পকলা প্রঙ্গনজুড়ে বইমেলায় অংশ নেয় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, কালধারা, বলাকা, শৈলী, খড়িমাটি ও তৃতীয় চোখ। উৎসব সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং ইস্পাহানী লিমিটেড।

সর্বশেষ