প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ২৩০ কোটি টাকার প্রকল্পে ফ্ল্যাট পাচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৮০০ সেবক পরিবার।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার এ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন জামালখান ঝাউতলা সেবক কলোনির প্রথম তলার ছাদ ঢালাই পরিদর্শন করেছেন।
প্রকল্পের অধীনে ৩৩ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৪ তলাবিশিষ্ট নতুন ভবনে ফ্ল্যাট পাবেন ১৫০ সেবক পরিবার। ফ্ল্যাটগুলো কমন স্পেসসহ ৮০১ বর্গফুটের। প্রতিটি ফ্ল্যাটে থাকছে ২টি বেডরুম, ২টি বারান্দা, ১টি করে লিভিং ডাইনিং, টয়লেট, শাওয়ার ও কিচেন। খবর বাসসের
মেয়র প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এক সময় সেবকরা ছিলেন সমাজের উপেক্ষিত শ্রেণী। প্রধানমন্ত্রী সমাজের এই প্রান্তিক গোষ্ঠীর আবাসনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই মহতী প্রকল্প নেয়ায় চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীও ভোগ করতে পারে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমৃত্যু কাজ করে যাব।
পরিচ্ছন্ন সেবকদের জীবনমান উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি ভবন নির্মিত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে পাথরঘাটা সেবক কলোনিতে ২টি, জামাল খান ঝাউতলা সেবক কলোনিতে ১টি, ফিরিঙ্গীবাজার সেবক কলোনিতে ১টি ও সাগরিকায় ১টি ভবন তৈরি করা হবে। ৫টি ভবনে ঠাঁই হবে ৮০০ সেবক পরিবারের।
পরিদর্শনকালে মেয়রের সঙ্গে ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, আনজুমান আরা, চসিকের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শাহীনুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, সহকারী প্রকৌশলী আসীর হামীম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিজাম হোসেন রাসেল, ঠিকাদার মো. কাশেমসহ সেবক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া এদিন মেয়র ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডস্থ ত্রিপুরা খাল, হাটহাজারী সড়কসহ বিভিন্ন ছোট বড় নালার বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করেন।


