টানা ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হয়ে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। নগরীর সওদাগরী পাড়া খ্যাত চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে নেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি মালবাহী ট্রাকের তীব্র যানজট। নেই ব্যবসায়ীদের কোলাহল।
এছাড়া নগরীর রেয়াজুদ্দিন বাজার, জুবিলী রোড, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, নিউমার্কেট এলাকায় বিরাজ করছে সুনসান নিরবতা। নগরীর অভিজাত মার্কেটগুলোও বন্ধ থাকায় সেখানে নেই ক্রেতাদের কোলাহল। সাধারণত ব্যস্ততম সড়ক সিডিএ এভিনিউও অনেকটা ফাঁকা। কিছু প্রাইভেটকার, মোটর সাইকেল চলাচল করলেও বাস, টেম্পু, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল কমে গেছে। যেগুলো চলাচল করছে সেগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে গলাকাটা ভাড়া আদায় করছে। অপরদিকে বন্দরনগরীতে বেশিরভাগ বিভিন্ন জেলার রিকশা চালক দৈনন্দিন রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তারাও পুরো এক মাস আয়-রোজগার করে প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। ফলে নগরীতে রিকশা চলাচলও অনেকটা কমে গেছে। এবারের ঈদের তিনদিন ছুটির সাথে বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত একদিনের ছুটি পাওয়ায় শবে কদরসহ মোট পাঁচ থেকে ছয় দিনের ছুটি পেয়েছেন কর্মজীবী মানুষ। টানা ছুটিতে সরকারি চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। দেশের সর্ববৃহৎ ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেডসহ বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী, মিল-কারখানার শ্রমিকরাও ঈদের ছুটিতে রয়েছেন। ফলে কারখানা এলাকায়ও নেই কোলাহল। এদিকে একসাথে লাখ লাখ মানুষ ঈদের ছুটিতে বন্দরনগরী ছাড়ার কারণে নগরীর কোন এলাকায় নেই যানজট। নয় দিনের টানা ছুটি শেষে আজ রোববার থেকে নগরীতে ঘরমুখো মানুষ ফিরতে শুরু করবে। আস্তে আস্তে কর্মমুখর হয়ে উঠবে নগরী। ফিরে আসবে প্রাণস্পন্দন।


