সবুজ হোটেল’-এ সাহিত্যগন্ধি সবুজ আড্ডার তুলনা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রামে অন্যকোনো আড্ডার আর অবশিষ্ট নেই। মুচড়ে থাকা এই সবুজ আড্ডার নাভি ছাড়া আর কোথাও তাকানোর জায়গা নেই, চট্টগ্রামে আর কোথায় তাকাবো যেখানে তাকালে নাভির ঘূর্ণির ন্যায় সাহিত্য আড্ডার উপলব্ধি ঘটে। সেই সবুজে আজ উদযাপিত হলো কবি, চিন্তক, সম্পাদক এজাজ ইউসুফী এবং নিয়মিত আড্ডারু জামাল উদ্দিনের জন্মদিন। এজাজ ইউসুফী নিজে কেক কেটে জন্মদিনের ধারণাতীত আনন্দ উপস্থিত সকলের মুখে তুলে দেন। এরপর শুরু হয় আজকের আয়োজনের ২য় পর্ব— আড্ডার ডানায় অনুভূতির বিস্তার। শুরুতেই হাফিজ রশিদ খান স্মৃতির তীরকে ছুঁড়ে দিলেন ১৯৮২ সালের দিকে, যে মাইলস্টোন থেকে সবুজ আড্ডার চাকার দাগ দেখে-দেখে তিনি স্মৃতির কথা বললেন, যে চাকার চিহ্ন তিনি এতকাল বুকে ধরে রেখেছিলেন।এজাজ ইউসুফী’র আলাপে ছিল ‘সবুজ আড্ডা’ সংখ্যায় লেখা পাঠানোর জন্য কাতরানি আর চোখের পানিতে বাষ্পরুদ্ধ সবুজ স্মৃতির মানচিত্র। আর আমরা আলাপের সময়ে সবুজের ঐশ্বর্য অবলোকনের প্রতিচ্ছবি আমাদের অনুভূতিতে গেঁথে নিচ্ছিলাম। ‘সবুজ হোটেল’ এর দুই টেবিল তখন জোড়া লাগিয়ে লম্বা গ্রীবার মতন আড্ডার দিকে তাকিয়ে ছিল। রিজোয়ান মাহমুদ গুরুত্ব আরোপে বললেন, ‘সবুজ আড্ডা’ সংখ্যাকে নতুন কলেবরে আরও সমৃদ্ধ আকারে তুলে ধরার জন্য। যেখানে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন, সৃজনের নবায়নে ‘সবুজ আড্ডা’ সংখ্যাকে ভবিষ্যতমুখী করে তুলতে। পুলক পাল তাঁর কথনশৈলীতে এবং স্বপ্নকুহকে বললেন, মতভিন্নতা নিয়েই সবুজ আড্ডাকে আরও দীর্ঘকাল চালিয়ে যেতে, তবে কোনো বিভাজনরেখা না টেনে। আর সৌমেন ধর সবুজের অতীতকে গর্বের উদ্ভাসে তুলে ধরলেন। শ ম বখতিয়ারের বিবেচনাপ্রসূত উপস্থাপনায় সকলকে সময়ের মান্য প্রণালীতে কথা বলার সুযোগ করে দেন। উপস্থিত সকলেই অনুভূতির ঘন স্ফটিকে আড্ডার আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেছেন। একে একে কবি শারদ মাযহার, সাহিত্য বিশ্লেষক, প্রাবন্ধিক শোয়েব নাঈম, সংগঠক ইয়াসিন মিঠু, কবি নাট্যকার তাপস চক্রবর্তী, তরুণ ফিকশন ও রম্য লেখক রহমান রনি, গল্পকার শোয়ায়েব, মোহাম্মদ, কবি ও খড়িমাটি প্রকাশক মনিরুল মনির, কবি বিটুল দেব, কবি রুদ্র সুশান্ত, কবি আজিজ কাজল, কবি রনি চক্রবর্তী সকলেই অনুভূতি জানালেন। উপস্থিত সকলেই সম্মতির ফ্রেমবন্দি হয়েছেন যে, শীঘ্রই প্রকাশিতব্য ‘সবুজ আড্ডা’ সংখ্যায় তাঁদের নতুন এবং মৌলিক লেখা সংযুক্ত করবেন।
৩০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ‘সবুজ আড্ডা’ সংখ্যা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে sobujadda@gmail.চম এই-মেইলে লেখা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন সম্পাদনা পরিষদ।


