১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রচ্ছদঅন্য খবর“ডলু নদীর হাওয়া”এর উদ্বোধনী মঞ্চায়ন আজ

অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়ের ৩১তম প্রযোজনা

“ডলু নদীর হাওয়া”এর উদ্বোধনী মঞ্চায়ন আজ

বার্তা প্রেরিত

স্বনামধন্য লেখক শহীদুল জহির এর গল্প  “ডলু নদীর হাওয়া” অবলম্বনে নাটকের  উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ সন্ধ্যে ৭ টায় চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমী মঞ্চে। নাটকটি অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায় এর ৩১ তম প্রযোজনা, এটি নির্মাণ এবং মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন, আমিনুর রহমান মুকুল।

শহীদুল জহির ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ও অনন্য ধারার কথা সাহিত্যিক। তার লেখায় ভাষার ব্যঞ্জনা, গভীর রাজনৈতিক চেতনা, এবং জাদুবাস্তবতার অনন্য মিশ্রণ তাকে আলাদা করে তোলে বাংলা সাহিত্যে। শহীদুল জহিরের লেখায় সময়, ইতিহাস, সমাজ ও রাজনীতির গভীর প্রেক্ষাপট থাকে। তিনি সাধারণত  জীবনের নানা অসঙ্গতি, মানবিকতা, এবং রাষ্ট্র ও সমাজের দ্বন্দ্বগুলোকে গভীরভাবে তুলে ধরেছেন তাঁর লেখনীতে। ডলু নদীর হাওয়া” শহীদুল জহিরের লেখা একটি অনন্য ছোটগল্প, যা তার “মৌলিক গল্প” গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই গল্পটি তার রচনাশৈলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়, যেখানে জাদুবাস্তবতা, ইতিহাস, সময়চেতনা এবং ভাষার অপূর্ব ব্যবহারের মিশেল।

“ডলু নদীর হাওয়া” গল্পটি এক রহস্যময় আবহে গড়ে উঠেছে, যেখানে ডলু নামের একটি নদী এবং তার আশপাশের জনপদ গল্পের কেন্দ্রবিন্দু। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া অঞ্চলের ডলু নদী তীরবর্তী এক দম্পতিকে ঘিরে আবর্তিত। তৈমুর আলী চৌধুরী ও সমর্তবানু ওরফে এলাচিং- এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। শহীদুল জহিরের অন্যান্য গল্প বা উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র যেমন প্রবীণ হয়, এ গল্পটিও তাই। তৈমুর ও সমর্ত বানুর দম্পত্য জীবনের প্রায় ৪০ বছর পর এ গল্পের প্লট উন্মোচিত হয়। তারপর ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে থাকে তাঁদের সম্পর্কের অতীত ও বর্তমান। যেখানে পরপর অনেকগুলো শর্তের উপর দাঁড়িয়ে থাকে তাদের জীবন ও পরিণতি। তাঁদের প্রেম, বিয়ে এবং দাম্পত্যের রহস্যময়তা যেমন এই গল্পের প্রতিপাদ্য, তেমনি চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনধারা, সংস্কৃতি ও বিশ্বাস এ গল্পের বাস্তব ভিত্তি।

“ডলু নদীর হাওয়া” শুধু একটি গল্প নয়, এটি এক ধরনের অনুভব—সব কিছুর এক মায়াবী ও গূঢ় রূপক।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন – মুনির হেলাল, সাবিরা সুলতানা বিনা, বিবি আয়েশা সুমি, সঞ্জয় ধর, পার্থ চক্রবর্তী, ইনান ইলহাম, চৈতী সাহা, সত্যজিৎ নন্দী, মাশরুর উশ শহীদ, জোবাইদা ইয়াছমিন শাকি, রাজদ্বীপ চৌধুরী, শিমলী দাস, কাশপি আচার্জ্য পূর্ণা, সুশান্ত চৌধুরী, সপ্তর্ষী চাকমা।

আবহ সংগীত পরিকল্পনা করেছেন মইনউদ্দিন কোহেল। গীত রচনা ও সুর করেছেন, ড. দীপংকর দে।

আলোক পরিকল্পক ফইয়াজ নুর রাকিন। পোষাক ও দ্রব্য সামগ্রী পরিকল্পনা করেছেন যথাক্রমে সাবিরা সুলতানা বীণা ও বিবি আয়েশা। রুপসজ্জা করেছেন, শাহরিয়ার হান্নান। পোস্টার করেছেন, দীপংকর দস্তিদার।

 

সর্বশেষ

sakarya escort bayan bayan Eskişehir escort