সাউথ এশিয়ন স্কুলে উৎসবমূখর পরিবেশে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে তাদের ক্লাসরুমে দেশি বিদেশি ফল ও ফলজ খাবার নিয়ে স্টলসমূহ সাজায়। চেরী, ড্রাগন ফলের মতো দামী বিদেশী ফলের সাথে ডেওয়া, লুকলুকি সহ নানা রকম ফল এবং বিভিন্ন ফল
দিয়ে তৈরি মজাদার আচার, চাটনী ও জুস দিয়ে তৈরী স্টল সমূহ নানা রং ও সাজানোর বৈচিত্রে উজ্জ্বল ও উৎসব মুখর হয়ে উঠেছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণ একটি প্রচলিত প্রবাদ। এই ফল উৎসবও তারই ধারাবাহিকতায় উদযাপন করা হচ্ছে। সবাইকে তিনি নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। আরও বলেন, রাসায়নিকমুক্ত ফল পরিবেশন করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।
দিয়ে তৈরি মজাদার আচার, চাটনী ও জুস দিয়ে তৈরী স্টল সমূহ নানা রং ও সাজানোর বৈচিত্রে উজ্জ্বল ও উৎসব মুখর হয়ে উঠেছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণ একটি প্রচলিত প্রবাদ। এই ফল উৎসবও তারই ধারাবাহিকতায় উদযাপন করা হচ্ছে। সবাইকে তিনি নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। আরও বলেন, রাসায়নিকমুক্ত ফল পরিবেশন করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ লকিতুল্লাহ বলেন , ফল উৎসব আমাদরে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর অংশ। বাংলাদশেে যে সব ফল উৎপাদন হয় সব ফলরে সঙ্গে আমাদরে নতুন প্রজন্মরে অনেকেই ফলের নামরে সঙ্গে পরচিতি নয়। তাই দেশীয় ফলের সঙ্গে নতুন প্রজন্মরে পরচিয় ঘটানো আমাদরে এই ফল উৎসবের অন্যতম কারণ।পরে অভিভাবক মন্ডলি ও শিক্ষক—শিক্ষিকা স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং খাবারগুলো পরখ করে দেখার সময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


