
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে বেলা ১২টার দিকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করে। সেখানে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩২ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। তখন বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থা নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করবে। জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সব মোবাইল গ্রাহককে খুদেবার্তা পাঠাবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে– মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দলের সর্বস্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করা এবং কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের কবর ও বেলা ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, সুবিধা মতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, দুপুরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, বাদ আসর বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মহিলা আওয়ামী লীগের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় শোক দিবসের স্মরণসভা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন।


