১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রচ্ছদবিশেষ ফিচারসমূদ্রে ফেলা হবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

সমূদ্রে ফেলা হবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

অনলাইন ডেস্ক

ম্যাসেবল অবলম্বনে সৌমেন ধর :

নাসার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনটির আয়ু আগামী ২০৩০ ফুরাতে যাচ্ছে । যেটি বিগত অনেক বছর যাবত মহাশূণ্যে ভাসমানরত অবস্থায় নভোচারীদের গবেষণা ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পৃথিবীর মহাকাশ গবেষণা ও কালজয়ী অনেক উদ্ভাবনের ইতিহাসের সাথে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু আর ৫ বছর পর তাকে সমুদ্রে ছুঁড়ে ফেলা। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে এই মহাকাশ স্টেশনে কাজের অভিজ্ঞতাকে  কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের নতুন মহাকাশ স্টেশনের প্রথম পর্যায় হিসেবে হ্যাভেন – ওয়ান নামের প্রথম একটি ক্যাপসুলের নকশা প্রকাশ করেছে। যেটি নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে ভাস্ট এবং সাউদার্ণ ক্যালিফোর্নিয়া নামের প্রতিষ্ঠান। তারা ইতিমধ্যেই ভাস্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত নাসার মহাকাশচারী, অ্যান্ড্রু জে.ফিউস্টেলকে নিয়োগ দিয়েছে। যিনি ইতিমধ্যেই এক বিবৃতিতে হ্যাভেন ওয়ানের নকশা এবং নির্মাণ বিষয়ে নানা কথা জানিয়েছেন। যেটি নির্মাণ শেষ হলে আগামী বছর স্পেসএক্সের ফ্যালকন- ৯ রকেটের মাধ্যমে পাঠানো হবে।

এখনো পযর্ন্ত পৃথিবী থেকে অনেক দূরের কক্ষপথে ভাসতে আন্তর্জাতিক মগাকাশ স্টেশনে অজস্র তারসহ আরো যেসব সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেসব কিছুই থাকবেনা আগামীর স্টেশনে। বরং অত্যন্ত মসৃণ ক্যাপসুলসদৃশ এই হ্যাভেন ওয়ানে থাকছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সুবিধাসমূহ। ভাস্ট ও সাউদার্ণ ক্যালিফোর্ণিয়া জানিয়েছে,হ্যাভেন -ওয়ান ন্যূনতম এবং ঝরঝরে। স্পার্টান প্রাচীরের প্যানেলের পিছনে অনেক সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা হয়েছে। ক্যাপসুলে এমনকি “অগ্নি-প্রতিরোধী ম্যাপেল কাঠের বাহ্যিক আ বরণ স্ল্যাটগুলিও রয়েছে, যা জীবাণুমুক্ত এবং প্রয়োজনীয়তা অনুসারে চালিত অভ্যন্তর হিসাবে প্রাকৃতিক উষ্ণতা নিয়ে থাকবে,। হ্যাভেন-ওয়ান উৎক্ষেপণের সম্ভাবনায় অবদান রাখতে পারবে বলে আশা করার গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ হল এটি একটি একক, অপেক্ষাকৃত ছোট ক্যাপসুল হলেও এতে স্টেশনের মূল অংশগুলি সরবরাহ করতে 42টি ফ্লাইট লেগেছিল। এটি “ছয়টি ঘুমানোর কোয়ার্টার, দুটি বাথরুম, একটি জিম এবং একটি থি সিক্সটি-ডিগ্রি ভিউ বে উইন্ডো সহ একটি ছয় বেডরুমের বাড়ির চেয়েও বড়।,” মহাকাশ সংস্থা বলেছে। এটি “ছয়টি ঘুমানোর কোয়ার্টার, দুটি বাথরুম, একটি জিম এবং একটি 360-ডিগ্রি ভিউ বে উইন্ডো সহ একটি ছয় বেডরুমের বাড়ির চেয়েও বড়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আশা করছে এই হ্যাভেন ওয়ান সফলভাবে নির্মাণ এবং অন্যান্য কাজ সম্পন্ন হলে আগামী ২০২৮ সাল নাগাদ তারা আরো বড় মডিউল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

সর্বশেষ