২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকবাংলাদেশ নিয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ নিয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচন, গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার জড়িত থাকা এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে মতামত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
স্থানীয় সময় ১৮ ডিসেম্বর বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন বেদান্ত প্যাটেল এসব কথা বলেন।
এদিনের ব্রিফিংয়ে হাসিনার বিরুদ্ধে গুমের সম্পৃক্ততা তদন্তে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ইস্যুতেও নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
এদিনের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের এই অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে আমরা স্বাগত জানাই যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি জনগণকে তাদের নিজস্ব নেতৃত্ব নির্বাচন করার সুযোগ দেবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণ এমন একটি বিষয় যেদিকে আমাদের অব্যাহত পর্যবেক্ষণ থাকবে। অবশ্যই এই পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে আইনের শাসন, একইভাবে গণতান্ত্রিক মূলনীতির বাস্তবায়নকে আমরা উৎসাহিত করছি। এবং যেমনটা আমরা সমগ্র বিশ্বে চাই— শান্তিপূর্ণ উপায়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পক্ষেই আমাদের অবস্থান।
বেদান্ত প্যাটেল বলেন, গত দুই দশকে শত শত বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে এমন প্রতিবেদনে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জোরপূর্বক গুম একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন যা ভুক্তভোগীদের অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য আটক বা নিখোঁজ হওয়ার মতো ট্রমা বা মানসিক যন্ত্রণা দেয়। এটি তাদের পরিবারের ওপর অনিশ্চয়তার ট্রমা সৃষ্টি করে। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের এই অপরাধের তদন্তের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জন্য ন্যায্য ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করছি।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও তাদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ বিষয়ে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, অবশ্যই এই বিষয়টি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের যে কোনও জায়গায় আমরা প্রথমে নিশ্চিত করতে চাই যে— বিক্ষোভ যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয়, সকল মানুষের মৌলিক মানবাধিকার এবং মানবিক মর্যাদাকেও যেন সম্মান করা হয়। এটি এমন একটি বিষয় যা আমরা বিশ্বজুড়ে সকল দেশ ও সরকার এবং অংশীদারদের সাথে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অবশ্যই অন্তর্বর্তী সরকারের সাথেও আমরা তেমনটাই মনে করি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি স্পোকসপারসন বলেন, আমাদের অবশ্যই বিস্তৃত ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। ভারতে আমাদের সমকক্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব রয়েছে। অবশ্যই, এর মধ্যে— নিরাপত্তা সমস্যা, বাণিজ্য সমস্যা, এছাড়া অবশ্যই ভিসাসহ কনস্যুলার সমস্যাও রয়েছে। আমরা জয়শঙ্করের সঙ্গে সেই বৈঠকের কথা আগেই রিড আউটে জানিয়েছি। বাইডেন প্রশাসনে আমাদের সময়কালে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অনেকগুলো অভিন্ন ইস্যুর মূল অংশীদার ছিল ভারত এবং বর্তমান প্রশাসনে আমাদের বাকি সময়েও আমরা তাদের সাথে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি। এর বাইরে বলার মতো আর কোনও বিবরণ আমার কাছে নেই।

সর্বশেষ

sakarya escort bayan bayan Eskişehir escort