বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলাগুলো হতো বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। এছাড়া কমলাপুর স্টেডিয়ামে কিছু ম্যাচ হয়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম খেলার অনুপযোগী হওয়ায় বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশের ম্যাচ হয়ে আসছিল।
গত ডিসেম্বরে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) ১০ বছরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে। তিনি
বাফুফে অবশ্য আরও বেশি সময়ের জন্য চেয়েছে। তাদের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ২৫ বছরের জন্য এম এ আজিজ স্টেডিয়ামটি ফুটবলের জন্য বরাদ্ধ দেয়। ২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাফুফের এক কর্মকর্তা।
স্টেডিয়ামের দেখভালের খরচ, আয়ের অংশ ও বাফুফেকে দেওয়া এনএসসির কিছু শর্ত আছে। সেসব খুব দ্রুত সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে, বলেও জানান, বাফুফের সেই কর্মকর্তা।
চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম মূলত ক্রিকেটের জন্য পরিচিত ছিল। পরে চট্টগ্রামে ক্রিকেট ম্যাচগুলো জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ফলে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম খালি পড়ে থাকে। সংস্কার করে তাই ফুটবলের জন্য এটিকে ব্যবহার করা হবে আগামী ২৫ বছরের জন্য।


