১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রচ্ছদদেশে দেশেটরেন্টোর চিঠি

টরেন্টোর চিঠি

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, কানাডায় বর্তমান আলোচ্য বিষয় গাড়ি চুরি ও ছিনতাই।
দীর্ঘ এক বছর পর আবার কানাডায় আসলাম। আজকে বসেছিলাম টরেন্টো চট্টগ্রাম সমিতির একাংশের ইফতার প্রস্তুতি সভায়। বাঙালি লবঙ্গ রেস্টুরেন্টে। এসব আলোচনা দেশের পরিস্থিতি এবং পৃথিবীর উন্নত দেশ কানাডার সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আড্ডা জমে উঠে যা বাঙালি সমাজে হয়। এবারের আলোচ্য বিষয় ছিল ইদানিং কানাডাতে গাড়ি চুরির হার বেড়ে গেছে। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে গাড়ির লক খোলা হচ্ছে এবং দুইটি তারের সংযোগ ঘটে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছে এবং এই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গাড়িগুলির পূর্ণ ইন্সুরেন্স আছে বলে পুলিশি তৎপরতা সন্তোষজনক নয় বলে জানলাম।
তারপর কিছু ছিনতাই নাকি বেড়ে গেছে। আমার তো শুনে আক্কেল গুড়ুম। বর্তমানে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে এবং রেস্টুরেন্টে গেলে দেখা যায় পূর্বের দামের উপর মূল্যবৃদ্ধির কাগজ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এখানে ছিনতাই করে জেলে যারা যায় তারা আরো সুখে থাকে। কয়দিন জেলে আরামে জীবন অতিবাহিত করে আবার চলে আসে।
আমার এইসব সংবাদের সূত্র হল এখানকার বাঙালি বা বাংলাদেশী অভিবাসীদের কথোপকথন।
ওদের কথায় মনে হলো অন্তত বাংলাদেশে গাড়ির ছুরি হার অনেক কম।
তবে কানাডায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নত। পরিবেশ দুষণ নাই বললেই চলে। বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশী ছেলে মেয়ে কানাডায় লেখাপড়া করে। দেখতে ভাল লাগে বিভিন্ন মসজিদে তারা দলবেঁধে ইফতার খেতে যায়। মাগরিবের নামাজ পড়ে সবাই নিজ নিজ বাসস্থানে চলে যায় ।এদের প্রাণচাঞ্চল্য দেখতে ভালোই লাগে। দেশে ও প্রবাসে ভালো থাকুন সবাই।

সর্বশেষ